1. bslbarta@gmail.com : BSL BARTA : Golam Rabbi
১৪ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত দিবস - বিএসএল বার্তা




১৪ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত দিবস

বিএসএল বার্তা
  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৩৪ বার পড়া হয়েছে

আত্রাই(নওগাঁ) প্রতিনিধি : বাঙ্গালী জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের চুড়ান্ত বিজয়ের দিন ১৬ ডিসেম্বরের বাকী আর কয়েক ঘন্টা। ১৯৭১ সালের ১৪ডিসেম্বর আত্রাই বাসীর জন্য একটি স্মরনীয় দিন। আজকের এই দিনে নওগাঁর আত্রাই উপজেলা হানাদার মুক্ত হয়। স্বাধীনতা সংগ্রামে সাড়া দিয়ে সারা দেশের ন্যায় এই উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা মাতৃভূমিকে শত্রু মুক্ত করার লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন।
মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে ৯মাস রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পর নওগাঁর আত্রাই উপজেলাবাসী আজকের এ দিনে শত্রুমুক্ত হয়ে বিজয় উল্লাস আর “জয় বাংলা,বাংলার জয় ধ্বনিতে প্রকম্পিত করে তুলেছিল আত্রাই উপজেলার আকাশ-বাতাস।এ এলাকা পাক হানাদার মুক্ত করতে অসংখ্য জীবন বলিদান এবং কত অসহায় মা বোনের সম্ভম লুন্ঠন করেছিল সেই ভয়াবহ দিনে তার সঠিক পরিসংখ্যান কেউ জানে না। এছাড়া পঙ্গুত্বের অভিশাপ আর মা-বাবা, স্বামী- স্ত্রী, ভাই-বোন হারানো অসহ্য যন্ত্রনা নিয়ে এখনও অনেক নারী-পুরুষ বেঁচে আছে। স্বাধীনতার এত বছর পেরিয়ে গেলেও কেউ তাদের খোজ-খবর রাখেনি।
সারা দেশের বিভিন্ন এলাকা যখন হানাদার মুক্ত হতে শুরু করে তখন উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা পুরাতন স্টেশন এলাকায় অবস্থানকৃত পাক হানাদার ক্যাম্প আক্রমনের সিদ্ধান্ত নেয়। মুক্তিযোদ্ধারা ১৩ ডিসেম্বর গভীর রাতে ক্যাম্পে আক্রমনের ফলে পাক হানাদার বাহিনী ও রাজাকারেরা রাতারাতি পালিয়ে যায়। এসময় মুক্তিযোদ্ধারা উপজেলার সদুপুরের জানা, ভবানীপুরের মোসলেম, রায়পুরের রহিমদ্দিন ও তার ছেলে কুমর উদ্দিন কে ধরতে পারলেও পাক হানাদারেরা পালিয়ে দেশ ত্যাগ করে।

মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার আখতারুজ্জামান বলেন, ১৩ডিসেম্বর থেকে আমরা আত্রাইয়ে পাক হানাদার বাহিনির সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করি। টানা ২৫ ঘন্টা যুদ্ধ শেষে ১৪ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত করি।
সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সাজেদুর রহমান দুদু বলেন, ১৯৭১ সালের ১৩ ডিসেম্বর আত্রাই পাক-হানাদার মুক্ত করার লক্ষ্যে মুক্তিযোদ্ধারা হানাদার ক্যাম্প চারিদিক থেকে ঘেরাও করেন।

টিটন দাস,নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : ব্রাহ্মনবাড়িয়ার নবীনগরে ১৪ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আয়োজনে নবীনগর দিবসটি যথাযোগ্য  মর্যাদায় পালিত হয়। নবীনগর শত্রুুমুক্ত করতে ৮ ডিসেম্বর কড়ইবাড়ি থেকে অগ্রসর  হয়ে সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধারা ইব্রাহিমপুরের সুদন মিয়ার বাড়িতে অবস্থান করে। ঐ  রাতেই মুক্তিযোদ্ধারা নবীনগর আক্রমনের যাবতীয় নীল নকশা তৈরি করেন। ৯ ডিসেম্বর ভোরে উত্তর ও দক্ষিণ দিক থেকে মুক্তিযোদ্ধারা যুগপৎ মরণপণ আক্রমন চালায়। ১১
ডিসেম্বরের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধারা নবীনগর হাইস্কুল ছাড়া সমগ্র সদর নবীনগর দখল করে
ফেলে। ১৩ ডিসেম্বর দুপুরে মিত্র বাহিনী যোগ দেয়। ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে নবীনগর
শক্র মুক্ত হয়। র‌্যালী শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে
সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুম। প্রধান অতিথি
ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির। বিশেষ অতিথি ছিলেন
সহকারি কমিশনার (ভথমি) ইকবাল হাসান,অফিসার ইনচার্জ রনোজিত রায়,ডাক্তার
আহম্মেদ হোসেন,মুক্তিযোদ্ধা নরুল আমীন, সামছুল আলম,আজাহারুল ইসলাম
লালু,প্রেসক্লাব সভাতি মাহাবুব আলম লিটন,আথলীগ নেতা মোহাম্মদ নাছির
উদ্দিন। বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযোদ্ধা আবু জাহের, যুবলীগ সভাপতি সাম¯
আলম,সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রিপন, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড সভাপতি আব্বাস
উদ্দিন,সম্পাদক নাজমুল হাসান জেমস প্রমূখ।




নিউজটি শেয়ার করুন...

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর..






















© All rights reserved © 2019 bslbarta.com
Customized By BSLBarta Team