1. bslbarta@gmail.com : BSL BARTA : Golam Rabbi
শেরপুর উপজেলা ডেইরী ফার্মের ডা: আমির হামজা দায়িত্ব নেয়ার পর লেগেছে উন্নয়নের ছোঁয়া - বিএসএল বার্তা




শেরপুর উপজেলা ডেইরী ফার্মের ডা: আমির হামজা দায়িত্ব নেয়ার পর লেগেছে উন্নয়নের ছোঁয়া

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১৯৫ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ার শেরপুর সরকারী গবাদি পশু উন্নয়ন খামাটি অযত্নে অবহেলায় ও দায়িত্বহীনতায় দীর্ঘদিন চলছিল। সঠিক ভাবে পর্যবেক্ষন না করায় দুধের উৎপাদন কমে গিয়েছিল। বর্তমানে সরকারী গবাদি পশু উন্নয়ন খামারে সঠিক ব্যবস্থাপনা ও পর্যবেক্ষনের তা পাল্টে গিয়ে দুধের উৎপাদন এখন প্রায় দ্বিগুন হচ্ছে। হাড্ডিসার গবাদি পশু গুলো এখন প্রয়োজনীয় খাদ্য ও পরিচর্যার ফলে বেশ তরতাজা হয়ে উঠছে।
জানাযায়, শেরপুরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার হিসাবে ডা: আমির হামজা গত ১ মে যোগদান করার পর, সরকারী গবাদি পশু উন্নয়ন খামারে কোন কর্মকর্তা না থাকায় সরকারি নির্দেশ মোতাবেক তিনি অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব পালন করছেন। শেরপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা: আমির হামজা অতিরিক্ত দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ার পর থেকেই অর্পিত দ্বায়িত্ব সাধ্যমত চেষ্টা করছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা: আমির হামজা বলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার হিসাবে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি খামারের কাজের জন্য সকাল ৭ টা থেকে রাত ৮-৯ টা পর্যন্ত এমনকি শুক্রবার, শনিবার পর্যন্ত তাকে কাজ করতে হয়েছে, যা অনেকেই অবগত রয়েছেন। গত মে মাসে যেখানে প্রতিদিন দুধের উৎপাদন ছিল ১‘শ ৩৫ লিটার থেকে ১‘শ৪০ লিটার সেখানে অক্টোবর /নভেম্বর ১৯ মাসে দুধের উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে দৈনিক ২‘শ ৪০লিটার থেকে ২‘শ ৬০লিটার।

এবং টেন্ডারের মাধ্যমে এ বছর প্রায় ৩০লক্ষ টাকার গরু বিক্রি করা হয়েছে, যা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। সঠিকভাবে খাদ্য পরিবেশন ও রক্ষনাবেক্ষনের কারনে গরুর স্বাস্থ্যের অনেক উন্নতি হয়েছে।

তিনি আরো জানান, খামারের ভিতরটা অপরিছন্নতা এবং জংগলে পরিপূর্ণ ছিল। বর্তমানে পরিষ্কার পরিছন্নতা রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সহ শেরপুর উপজেলার জনসাধারণ বিশেষ করে যারা খামারে টেন্ডারের মাধ্যমে গরু ক্রয় করেছেন তারা সকলেই জানেন, সততার ও নিষ্ঠার টেন্ডরের মাধ্যমে গরু বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে খড় এবং দানাদার খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদও রয়েছে।

খামারী কামরুল হাসান লিটন বলেন শেরপুর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: আমির হামজা নিজ দায়িত্ব সহ মোট তিন জন কর্মকর্তার দায়িত্ব সততা এবং নিষ্ঠার সাথে পালন করে আসছেন।

তিনি শেরপুর আসার পর মাজিদা,রোকেয়া,পলাশ যদিও নিজ পরিশ্রম করে আজ সফল খামারী কিন্তু ডা: আমির হামজার অনুপেরনায় আরো অনেক খামার শুরু করেছে। যা ইতিপুর্বে কোন কর্মকর্তা এমন অনুপেরনা খামারিদের মাঝে যোগায়নি। সেই সাথে পাল্টে দিয়েছে শেরপুর উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের চিত্র।

বাড়তি দায়িত্বের একটি শেরপুর ডেইরি ফার্ম, যার চিত্র মাত্র কয়েক মাসে পাল্টে দিয়েছেন। ফার্মের গবাদিপশু বা দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধিতে বোঝা যায় তিনি অনেক খামারিদের অনুপ্রেরণার উৎস।

তিনি সকালে অফিসে আসার সময় দুপুরের খাবার টিফিন ক্যারিয়ারে করে বাসা থেকে নিয়ে এসে টেবিলে বসেই খেয়ে নেন,যাতে সেবা গ্রহীতাদের সেবার কোনো প্রকার বিচ্যুতি না ঘটে।

খামারি আবু সাঈদ বাবু বলেন ডেইরি ফার্মের অবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভাল হয়েছে। আজ আছে কাল বদলি হয়ে অন্য যাইগাই গেলে ডেইরী ফার্ম ও প্রাণীসম্পদের যে উন্নয়ন শেরপুর বাসীরই থাকবে এটা শেরপুর বাসীর গর্ব ।




নিউজটি শেয়ার করুন...

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর..






















© All rights reserved © 2019 bslbarta.com
Customized By BSLBarta Team