1. bslbarta@gmail.com : BSL BARTA : Golam Rabbi
রোহিঙ্গা গণহত্যা: গাম্বিয়া-মিয়ানমারের যুক্তিতর্ক আজ - বিএসএল বার্তা




রোহিঙ্গা গণহত্যা: গাম্বিয়া-মিয়ানমারের যুক্তিতর্ক আজ

আন্তর্জাতিক ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৫৫ বার পড়া হয়েছে

নেদারল্যান্ডসের হেগে আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলায় আজ নিজেদের পক্ষে যুক্তিতর্ক তুলে ধরবে গাম্বিয়া ও মিয়ানমার। যুক্তিতর্কে অংশ নেবেন উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা।

এর আগে বুধবার শুনানির দ্বিতীয় দিনে আদালতে নিজেদের পক্ষে যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি। রাখাইনে কোনো গণহত্যা হয়নি বলে সাফাই গান তিনি।

একইসঙ্গে আদালতে মিথ্যাচার করে সু চি বলেন, রাখাইনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলার পরই, বিচ্ছিন্নতাবাদ দমাতে অভিযান চালানো হয়, এর জেরে কিছু রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়েছে।

মিয়ানমারের নেত্রী বলেন, ‘যদি দেশের অভ্যন্তরে গণহত্যার উদ্দেশ্যে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে তবে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত সেনা সদস্য, কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর বাইরে আমি এ বিষয়েও নিশ্চিত করছি যে, আমাদের সবার নজর সেনা সদস্যদের দিকে। একইসঙ্গে অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধেও উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বক্তব্যে একবারের জন্যও রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ না করে সু চি বলেন, ‘রাখাইনে সেনা অভিযানে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ হয়ত উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবে তার পেছনে যে গণহত্যার উদ্দেশ্য ছিল- এমন ধরে নেয়াটাও মিয়ানমারের জটিল বাস্তবতায় ঠিক হবে না।’

মঙ্গলবার শুনানির শুরুর দিনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যায় নিজেদের যুক্তি তুলে ধরে মামলার বাদী গাম্বিয়া।

গাম্বিয়ার আইন ও বিচারমন্ত্রী আবুবকর মারি তামবাদু বলেন, ‘মিয়ানমার এখনও গণহত্যাপ্রবণ এবং এই বর্বরতা চালিয়ে যেতে চায়। রোহিঙ্গা গণহত্যার ঘটনা হঠাৎ করে সংঘটিত হয়নি। বরং একটি দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার ফসল। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীদের দীর্ঘদিন ধরেই বাঙালি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। জেনোসাইড কনভেনশনের আওতায় রাখাইনে সুনির্দিষ্ট অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এছাড়া জাতিসংঘের অনুসন্ধানী দলের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে মিয়ানমার রাষ্ট্রীয়ভাবে গণহত্যা চালিয়েছে।’

২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে নিরাপত্তা চৌকিতে কথিত হামলার অজুহাত দেখিয়ে রোহিঙ্গাদের গ্রামে গ্রামে সেনাবাহিনী অভিযান শুরু করে। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় উগ্র বৌদ্ধরা। রোহিঙ্গাদের ওপর কাঠামোবদ্ধ যে সহিংসতা ও বর্বরতা চালানো হয়েছে, তার মধ্য দিয়ে ১৯৮৪ সালের আন্তর্জাতিক গণহত্যা কনভেনশন ভঙ্গ করেছে মিয়ানমার। আর এই অভিযোগেই ওআইসির সহায়তায় মিয়ানমারকে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে এনেছে পশ্চিম আফ্রিকার ছোট্ট দেশ গাম্বিয়া।

বিএসএল / জি এস




নিউজটি শেয়ার করুন...

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর..






















© All rights reserved © 2019 bslbarta.com
Customized By BSLBarta Team