1. bslbarta@gmail.com : BSL BARTA : Golam Rabbi
রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচারের মুখোমুখি হতে হেগে পৌঁছেছেন সূ চি - বিএসএল বার্তা




রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচারের মুখোমুখি হতে হেগে পৌঁছেছেন সূ চি

আন্তর্জাতিক ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে
রোহিঙ্গা গণহত্যায় বিচারের মুখোমুখি হতে হেগে পৌঁছেছেন সূ চি

রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলায় মুখোমুখি হতে গতকাল রবিবার দ্য হেগের উদ্দেশে মিয়ানমার ছাড়েন দেশটির নেত্রী অং সান সু চি। তিনি নেদারল্যান্ডসে পৌঁছেছেন বলে মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম ইরাবতি জানিয়েছে।

সু চির সমর্থনে মিয়ানমারে মিছিল ও তাঁর জন্য প্রার্থনা সভার এক দিন পর সু চিকে হাসিমুখে নেপিডোর বিমানবন্দরের দিকে যেতে দেখা যায়। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে দ্য হেগে শুনানির সময় সু চির পক্ষে দ্য হেগের রাস্তায় মিছিল করতে কয়েক ডজন সমর্থকও নেদারল্যান্ডসে গেছেন।

গত শনিবার সন্ধ্যায় নেপিডোতে ওয়াং ইর সঙ্গে বৈঠকে সু চি মিয়ানমারের জাতীয় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা, বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতা এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে জোরালো সমর্থন ও উৎসাহ দেওয়ার জন্য চীনকে ধন্যবাদ জানান।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য বিভাগের উপপরিচালক লিজিয়ান ঝাও গতকাল টুইট বার্তায় লিখেছেন, ‘রাখাইন রাজ্য পরিস্থিতি নিয়ে চীন গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। রাখাইন রাজ্যের জনগণের জীবনজীবিকা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসনে চীন মিয়ানমারকে সহযোগিতা করতে আগ্রহী।’

রোহিঙ্গা জেনোসাইডের জবাবদিহি ও প্রত্যাবাসন—দুই লক্ষ্যেই কাজ করছে বাংলাদেশ। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে এযাবৎ দুই দফা উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার পর চীন এ বিষয়ে দূতিয়ালি চালিয়ে যাচ্ছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, জবাবদিহি ইস্যুতে চীনের আগ্রহ কম।

রোহিঙ্গা মুসলমান জনগোষ্ঠীর ওপর জেনোসাইড ও অন্যান্য নিপীড়ন চালানোর দায়ে ৫৭টি মুসলিম দেশের জোট ওআইসির পক্ষে পশ্চিম আফ্রিকার ছোট্ট মুসলিম রাষ্ট্র গাম্বিয়া গত মাসে আইসিজেতে মামলা করে। আগামীকাল থেকে তিন দিনের শুনানিতে আইসিজের ১৬ জন বিচারকের প্যানেল রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় ‘অন্তর্বর্তী ব্যবস্থার’ আবেদনের যৌক্তিকতা যাচাই করবেন। শুনানি শেষে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই রায় হওয়ার কথা রয়েছে।

২০১৭ সালের আগস্ট মাস থেকে মিয়ানমার বাহিনীর বর্বর অভিযানে প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন, গণবাস্তুচ্যুতির মাত্রা দেখে জাতিসংঘের কর্মকর্তারা ওই অভিযানে ‘জেনোসাইডের আলমত’ থাকার কথা বলেছেন।

বিশ্বসম্প্রদায়ের তীব্র সমালোচনা ও নিন্দার মুখেও সু চি রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার বাহিনীর অভিযানকে সমর্থন করেছেন। সেই সু চিই এখন মিয়ানমারকে জেনোসাইডের দায় থেকে বাঁচানোর উদ্যোগে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। গত শনিবার তাঁর পক্ষে নেপিডোতে কয়েক হাজার সমর্থক মিছিল করেছে। অন্যদিকে জেনোসাইডের মামলায় রায় পক্ষে পেতে ইয়াঙ্গুনে সেন্ট মেরির ক্যাথেড্রালে প্রার্থনা সভায় অংশ নিয়েছেন দেশটির জ্যেষ্ঠ নেতা ও কর্মকর্তারা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মিয়ানমারের ধর্মমন্ত্রী থুরা অং কো, যিনি গত বছরও রোহিঙ্গাদের বিষোদ্গার করেছিলেন।

বিএসএল / জি এস




নিউজটি শেয়ার করুন...

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর..






















© All rights reserved © 2019 bslbarta.com
Customized By BSLBarta Team