1. bslbarta@gmail.com : BSL BARTA : Golam Rabbi
ত্বক দাগহীন, বলিরেখামুক্ত রাখতে আপনার বন্ধু হবে রক্তজবা - বিএসএল বার্তা




ত্বক দাগহীন, বলিরেখামুক্ত রাখতে আপনার বন্ধু হবে রক্তজবা

অনলাইন ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে

বাঙালির সঙ্গে জবাফুলের সম্পর্কটা খুব নিবিড়! পুজোপার্বণে জবাফুল লাগে, প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই টবে হোক, মাটিতে হোক, একটা অন্তত জবাগাছ থাকেই, রংবেরঙের জবাফুল ফোটানোও অনেকেরই শখ। এ হেন জবাফুলের অন্যান্য গুণাবলীর কথাও মোটেই অজানা নয়, বিশেষত চুলের স্বাস্থ্যরক্ষায় জবাফুলের ব্যবহার তো সেই কোন কাল থেকেই চলে আসছে! তবে জানেন কি, শুধু চুল মজবুত আর ঘনকালো করা ছাড়াও জবাফুল আপনার ত্বকেরও নানাভাবে যত্ন নেয়? জবাফুলে পর্যাপ্ত অ্যান্টি-অক্সিডান্ট রয়েছে, তাই বয়সের দাগছোপ রুখে দিতে এটি খুবই কার্যকর। তা ছাড়াও ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং গায়ের রং উজ্জ্বল করতে চাইলেও ব্যবহার করতে পারেন জবাফুলের নির্যাস।

কেন জবাফুল ত্বকের পক্ষে উপকারী? দেখে নিন এক নজরে!

প্রাকৃতিক বোটক্স
জবাফুলকে অনেকেই প্রাকৃতিক বোটক্স বলে ডাকেন। কারণ বোটক্সের ব্যবহার ত্বককে যেমন টানটান, বলিরেখামুক্ত রাখে, জবাফুলও একই কাজ করে অথচ কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। ইলাস্টিস নামে একধরনের এনজ়াইম ত্বকের ইলাস্টিন ভেঙে দেয়। জবা ইলাস্টিসের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে ত্বক টানটান মসৃণ রাখে।

মসৃণ উজ্জ্বল গায়ের রং
বয়স বাড়তে শুরু করলে মুখে কালো ছোপ পড়ে। রোদের কারণেও মুখে মেলানিনের পরিমাণ বেড়ে যায়। মুখে কালো দাগছোপ দেখলে জবাফুলের পাপড়ি বেটে লাগান। জবার আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড ত্বক এক্সফোলিয়েট করে নতুন ত্বকের কোষ বের করে আনে। অ্যান্টি-অক্সিডান্ট গুণের জন্য জবা মুখের রোমছিদ্রগুলো সংকুচিত করে ত্বক মসৃণ রাখে।

আর্দ্রতায় ভরপুর কোমল ত্বক
আগেই বলেছি জবাফুলের অ্যাসিডে এক্সফোলিয়েশনের গুণ রয়েছে। তাই ত্বকের বিবর্ণভাব বা দাগছোপ কমাতে জবাফুল সিদ্ধহস্ত। যেহেতু জবার ফেস মাস্ক সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক, তাই ত্বকের নিজস্ব তেলের আস্তরণ নষ্ট হয় না, ত্বকও কোমল আর আর্দ্র থাকে।

জবাফুলের গুণ তো জানলেন! এবার জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন জবাফুলের ফেস মাস্ক:

জবাফুলের ফেস মাস্ক
জবাফুলের পাপড়িগুলো আলাদা করে রোদে দিয়ে শুকিয়ে নিন। শুকনো পাপড়ি গ্রাইন্ডারে দিলেই গুঁড়ো হয়ে যাবে। সিকি কাপ ওটস বা ব্রাউন রাইস গ্রাইন্ডারে দিয়ে গুঁড়ো করে নিন। এর সঙ্গে মেশান এক টেবিলচামচ জবাফুলের পাপড়ির গুঁড়ো। পুরো মিশ্রণটা পরিষ্কার বোতলে ভরে মুখ বন্ধ করে রেখে দিন। ব্যবহার করার সময় ওটস আর জবার পাপড়ি মেশানো গুঁড়ো দু’ চাচামচ নিন। তাতে একচাচামচ অ্যালোভেরা জেল আর এক চাচামচ টক দই মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মুখে আলতো করে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট রাখুন, তারপর হালকা গরমজলে ধুয়ে নিন।

জবাফুলের ডিপ ক্লেনজ়ার
একমুঠো জবাফুলের পাপড়ি চটকে নিন (বদলে জবাফুলের পাপড়ি শুকিয়ে গুঁড়ো করেও নিতে পারেন), তাতে অল্প জল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। তাতে এক চাচামচ মধু বা টক দই মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটা সারা মুখে প্যাকের মতো করে লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট রেখে হালকা গরমজলে ধুয়ে ফেলুন। তারপর টোনার আর ময়শ্চারাইজ়ার লাগিয়ে নিন।

বিএসএল / জি এস




নিউজটি শেয়ার করুন...

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর..






















© All rights reserved © 2019 bslbarta.com
Customized By BSLBarta Team