1. bslbarta@gmail.com : BSL BARTA : Golam Rabbi
বেলকুচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এখন দালাল চক্রের খপ্পরে - বিএসএল বার্তা




বেলকুচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এখন দালাল চক্রের খপ্পরে

এম এ মুছা বেলকুচি,সিরাজগঞ্জ, প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এখন দালান চক্রের খপ্পরে পড়েছে। প্রায় ৪ লক্ষাধিক মানুষের স্বাস্থ্য সেবার অন্যতম স্থান এই উপজেলা কমপ্লেক্সটিতে প্রতিদিন গড়ে বহিঃবিভাগ ও আন্তঃ বিভাগে ৩০০ থেকে ৪০০ রোগী চিকিৎসা সেবা নিয়ে থাকে। তবে যে পরিমান রোগী তাতে চিকিৎসক, জনবলসহ বিভিন্ন সংকট নিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছে হাসপাতালটি। তবে সেবার মান যেমনই হোক না কেন সবচেয়ে বড় বিড়ম্বনার বিষয় হচ্ছে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের প্রতিনিয়ত দালাল চক্রের খপ্পরে পরে হয়রানির স্বীকার হতে হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এসব দলাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আশে পাশে ব্যঙের ছাতার মত গড়ে ওঠা ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো সচল রাখতে রোগীদেও হয়রানীর বিড়ম্বনায় ফেলছে প্রতিনিয়ত। রোগী ডাক্তারের রুম থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে হাত থেকে ব্যবস্থাপত্র কেড়ে নিয়ে উল্টোপাল্টা বুঝিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলিতে। অনেক সময় রোগীরা তাদের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যাওয়ার দ্বিমত পোষণ করলে সক্রিয় দালাল চক্র তাদের সাথে তর্কে জড়িয়ে পরছে।

হাসপাতালে আগত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রোগীর অভিবাবক জানায়, আমি দীর্ঘ দিন ধরে বেলকুচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাঃ রাবেয়া খানমকে দিয়ে চিকিৎসা করে আসছি। আজকে আসছি আমার ছেলের বউকে দেখানোর জন্য। রাবেয়া ডাক্তারের রুম থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে আমার হাত থেকে মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভোলা নামের এক দালাল প্রেসক্রিপশন কেড়ে নেয়। সে আমাকে বলে ডাঃ পরীক্ষা দিয়েছে চলেন আমার সাথে। আমি বললাম আমার লোক আসুক তার পরে আমরা সিদ্ধান্ত নেব কোথায় পরীক্ষা করাবো। তখন সে আমাকে বলে, ম্যাডাম আমাদের ওখান থেকে পরীক্ষা না করলে দেখবে না। আমি তার কথা শুনে অবাক হয়ে যাই। আমার রোগীকে যেখানে ইচ্ছা সেখানে পরীক্ষা করাবো এতে যে নির্দিষ্ট কোন ডায়াগনস্টিক গিয়ে করাতে হবে এমন কোন বাধ্যবাদকতা নেই। এইসব দালাল শুধু আমাকে না বেশীর ভাগ রোগী এদের এভাবেই হয়রানি করে। আমরা এই হসপিটালকে দালাল মুক্ত দেখতে চাই।

বিষয়টি সম্পর্কে বেলকুচি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাহবুব হোসেন জানায়, এসব দালাল নির্মূলের জন্য বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কয়েকদিন চুপচাপ থাকে। আবার কিছু দিন পর আবার সক্রীয় হয়ে ওঠে আগের মতোই। আমি বিষয়টি সম্পর্কে স্থানীয় যে সকল ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে তাদের অবহিত করেছি। এতেও যদি তাদের দমন করতে না পারি, তবে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সহায়তা চাইবো।

বিএসএল / জি এস




নিউজটি শেয়ার করুন...

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর..






















© All rights reserved © 2019 bslbarta.com
Customized By BSLBarta Team