1. bslbarta@gmail.com : BSL BARTA : Golam Rabbi
বগুড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় হাতকড়া লাগিয়ে দুই সাংবাদিককে টেনেহিঁচড়ে থানায় নিয়ে অপদস্থ ও হয়রানির করার অভিযোগ-এসআই কে প্রত্যাহার - বিএসএল বার্তা




বগুড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় হাতকড়া লাগিয়ে দুই সাংবাদিককে টেনেহিঁচড়ে থানায় নিয়ে অপদস্থ ও হয়রানির করার অভিযোগ-এসআই কে প্রত্যাহার

আব্দুর রাজ্জাক বগুড়া ,প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২০
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ায় পুলিশের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে তুচ্ছ ঘটনায় হাতকড়া লাগিয়ে দুই সাংবাদিককে টেনেহিঁচড়ে থানায় নিয়ে অপদস্থ ও হয়রানির করার অভিযোগ উঠেছে।

রোববার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

অপদস্থ ও হয়রানির শিকার ওই দুই সাংবাদিকরা হলেন সময় টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার মাজেদুর রহমান ও একাত্তর টেলিভিশনের বগুড়া প্রতিনিধি শাহজাহান আলী। পরে জেলা পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে দুই সাংবাদিকের হাতকড়া খুলে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে বগুড়া সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নিরঞ্জন রায়কে প্রত্যাহার বরে বগুড়া পুলিশ লাইনসে নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত আরেক কর্মকর্তা ও বগুড়া সদর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে রাত নয়টা পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

রাত সাড়ে আটটায় বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী জানান,বিনা অপরাধে কোনো সাধারণ মানুষকেও হাতকড়া লাগানো বেআইনি। দুই সাংবাদিককে হাতকড়া লাগিয়ে থানায় নিয়ে আসার ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে এসপি স্যারের নির্দেশে উপপরিদর্শক নিরঞ্জন রায়কে বগুড়া সদর থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে নেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পুলিশের হাতে অপদস্থ ও হয়রানির শিকার সময় টেলিভিশনের বগুড়ার স্টাফ রিপোর্টার মাজেদুর রহমান বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণে কর্মহীন তিনটি অসহায় পরিবারকে চাল-ডালসহ কিছু খাবার দিতে তাঁরা দুজনে দুটি মোটরসাইকেলে কালিতলা এলাকায় যাচ্ছিলেন। এ সময় চেলোপাড়া থেকে ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল চালিয়ে সাদাপোশাকে থাকা সদর থানার উপপরিদর্শক নিরঞ্জন রায় উচ্চ শব্দে সাইরেন বাজিয়ে সদর থানার দিকে যাচ্ছিলেন। বিনা কারণে এমন শব্দ করে আতঙ্ক সৃষ্টি করায় তাঁর পরিচয় জানতে চাওয়া হয় থানা মোড়ে দায়িত্বরত সদর থানার পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) গোলাম মোস্তফার কাছে। এতে এএসআই মোস্তফা ক্ষুব্ধ হন। একপর্যায়ে মুঠোফোনে গোলাম মোস্তফা এসআই নিরঞ্জনকে ডেকে আনেন। এরপর তাঁরা চড়াও হয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে করতে তাঁদের দুজনের হাতে হাতকড়া লাগান। এ সময় নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য দিয়ে তাঁরা টেনেহিঁচড়ে সদর থানায় তোলেন। প্রায় আধা ঘণ্টা পর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম বদিউজ্জামান থানায় আসার পর তাঁদের হাতকড়া খুলে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম বদিউজ্জামান বলেন, সামান্য ভুল–বোঝাবুঝি থেকে এমন ঘটনা ঘটেছে। আমি থানায় আসার পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।




নিউজটি শেয়ার করুন...

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর..






















© All rights reserved © 2019 bslbarta.com
Customized By BSLBarta Team