পাগলা কুকুরের সন্ধান চেয়ে শহরজুড়ে মাইকিং

50

নীলফামারীর সৈয়দপুরে পাগলা কুকুরের সন্ধান চেয়ে শহরজুড়ে মাইকিং করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়।

মাইকিংয়ে বলা হয়, গত ৭ মার্চ শহরের বিভিন্ন এলাকায় অস্বাভাবিক একটি কুকুর মানুষের শরীরে কামড় ও আঁচড় দিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশুসহ ১৩ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। পরে তাদেরকে ভ্যাকসিন প্রদানসহ উন্নত চিকিৎসার জন্য নীলফামারী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনার পর থেকে ওই কুকুরকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। প্রচারে কুকুরের সন্ধান বা খোঁজ পেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করার জন্য বলা হয়েছে। এ ছাড়া কুকুর বা বিড়াল কামড় দিলে অথবা আঁচড় দিলে সঙ্গে সঙ্গে আক্রান্তদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ মার্চ নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের কয়েকটি এলাকায় একটি পাগলা কুকুর শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষজনকে আক্রমণ করে। এতে ওই দিন কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে শিশুসহ আহত হয়েছে কমপক্ষে ২৫ জন। আহতদের সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতাল ও নীলফামারী সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আহতরা হচ্ছেন- শহরের সাহেবপাড়ার কামাল হোসেনের ছেলে ইব্রাহিম (১২) ও ইসমাইল (৭), মিস্ত্রীপাড়া এলাকার মুন্নার স্ত্রী  মোছা. শাবানা (৩২), রবিউল ইসলাম (৪০), গোলাহাট এলাকার মোস্তফিজুর (৬৬), রোজী আক্তার (৩০), জাবির হাসান (৩০), ইবরার (৪৪), হায়দার আলী (৪০), কামাল হোসেন (৪৭), রাজু (২৮)। এ ছাড়া অন্যান্য এলাকাতেও কুকুরের আক্রমণে আরো কয়েকজন আহত হওয়ার খবর মিলেছে। তারা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের সূত্র জানায়, হাসপাতালে ‘র‌্যাবিস ভ্যাকসিন’ না থাকায় আহতদের নীলফামারী সদর হাসপাতালে আহতদের পাঠানো হয়েছে। সেখানে তাদের ভ্যাকসিন প্রয়োগসহ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।