মাজাহারুল ইসলাম রবিন: প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার রোজিনা ইসলাম স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অনিয়ম দূর্নীতির অনুসন্ধানী মূলক সংবাদ প্রকাশের জেরে,গত ১৭ মে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হেনেস্তার শিকার হয়ে অফিসিয়াল সিক্রেট এ্যাক্ট অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এতে সারা দেশের সাংবাদিকের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় সাংবাদিকরা মানববন্ধন করে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ১৯ মে বুধবার সকাল দশটায় গাজীপুর মহানগরের সিটি প্রেসক্লাবের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিক রোজিনার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করে।

গাজীপুর সিটি প্রেসক্লাবের সভাপতি মঞ্জুর হোসেন মিলনের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন নাগরিক ফোরামের সভাপতি অ্যাড. মোঃ জালাল উদ্দীন ও কৃষক- শ্রমিক জনতা লীগ গাজীপুরের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মোঃ আতিকুর রহমান ভূইঞা, সিটি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সোহেল, সহ সভাপতি মিজানুর রহমান মিলন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম রবিন, অ্যাড. মোঃ জাকারিয়া জাহিদ, অর্থ সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন, সদস্য মোঃ আল আমীন, প্রচার- প্রকাশনা সম্পাদক মো: হাসান আলী ও অফিস সম্পাদক আবুল হোসেন সবুজ সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

এছাড়াও গাজীপুর জেলা প্রেসক্লাব, প্রিন্ট মিডিয়া এসোসিয়েশন, প্রথম আলোর বন্ধু সভা, রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংবাদিকরা নিজ নিজ সংগঠনের ব্যানার নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিক রোজিনার বিরুদ্ধে করা মামলা থেকে অব্যাহতি ও মুক্তির দাবি করে মানববন্ধন করেন।

সাংবাদিক নেতারা বলেন বাংলাদেশকে দূর্নীতি মুক্ত করতে সাংবাদিকরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সারা দেশে হামলা মামলার শিকার হচ্ছেন।

গত ১৭ মে প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের দূর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় একই ভাবে হেনেস্তা ও আক্রোশের শিকার হয়েছেন।আরো বলেন সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম পত্রিকায় জনস্বার্থ বিষয়ক প্রতিবেদনের জন্য দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছেন।

সাংবাদিক নেতারা আরো বলেন দূর্নীতি মক্ত না হলে দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হবে। একশ্রেণির দূর্ণীতিবাজরা বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে একাজ করেছে। এদের খোঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবি করেন। এছাড়া অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন করে কালো আইন বাতিলের দাবি জানান সাংবাদিক নেতেরা।