ফুটবলে জেলার কাউন্সিলরদের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেবে ফিফা-এএফসি! জেলা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করলে বাফুফে নির্বাচনে তাঁদের ভোটাধিকার থাকবে কি না, এ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন কাজী সালাউদ্দিন।

অনেক জেলায় খেলা না হলেও তারা বাফুফে নির্বাচনে ভোটার হয়। এ প্রসঙ্গে চতুর্থবার সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পরদিন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন বলেছিলেন, টানা দুইবার জেলা লিগ না হলে সেই জেলার কাউন্সিলরশিপ থাকবে না। সেই বক্তব্য গতকাল অস্বীকার করে তিনি বলেছেন, ‘আমি কখনো এ কথা বলিনি, আমার বলার অধিকারও নেই। কাউন্সিলর থাকবে কি না, সেটা ঠিক করবে বাফুফের সাধারণ সভা অথবা ফিফা।’ ফিফা-এএফসির বরাত দিয়ে বাফুফে সভাপতি বলতে শুরু করেন, ‘ফিফা-এএফসি জানতে চায়, আমাদের কেন এত সদস্য। উদাহরণ হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ার (দেশগুলোর) গঠনতন্ত্র অনেক বড়। ফিফা নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে, গঠনতন্ত্র বদলানোর জন্য নতুন নিয়ম দিয়েছে। দক্ষিণ এশিয়া, মধ্য এশিয়া, পূর্ব এশিয়াকে এক ছাদের নিচে নিয়ে আসতে চায়। ওরা (ফিফা-এএফসি) প্রশ্ন করেছে, আমাদের এত ভোটার কেন? অনেক জায়গার কাউন্সিলর আছে, এরা কিভাবে ফুটবলের সঙ্গে জড়িত? এসব নিয়ে আমার অফিস কাজ করছে।’

তাঁর কথায় এটা পরিষ্কার, কাউন্সিলরশিপ নিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নতুন চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে। ফিফা-এএফসির নতুন কোনো প্রেসক্রিপশন মেনেই তারা কাজ শুরু করেছে। জেলা ফুটবল লিগ কমিটি প্রথম সভা করে চেয়ারম্যান কাজী সালাউদ্দিন জেলার সংগঠকদের কঠোর বার্তাই দিয়েছেন, ‘বারবার যেটা বলছি, জেলার ফুটবল কর্মকর্তাদের জেলার দায়িত্ব নিতে হবে। এ জন্যই আজ থেকে কার্যক্রম শুরু করেছি। ওদের (জেলা কর্মকর্তা) একটা বার্তা দিলাম, এটার শেষ কোথায় বলতে পারব না। তবে আপনারা (জেলা সংগঠক এবং অন্যরা) যাঁরা আমাদের (বাফুফে) সঙ্গে যুক্ত আছেন, দয়া করে নিজের দায়িত্বটুকু পালন করেন। নইলে যেকোনো সিদ্ধান্ত ফিফা থেকে আসতে পারে। তখন আমার কিছু করার থাকবে না।’